ফরচুন জমকালো রাজবাড়ি সজ্জা, ফুড আর্ট এবং সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্গাপূজা উদযাপন করছে…
দেশপ্রিয় পার্ক ও বাদামতলা আষাড় সংঘে তাদের সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলোর পাশাপাশি, ফরচুন তাদের প্রধান উদ্যোগ ‘ #FortuneSobarPujo-কে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রসারিত করার লক্ষ্য নিয়েছেকলকাতা, অক্টোবর ২০২৬: ‘ফরচুন’ (Fortune) ব্র্যান্ডের মাধ্যমে ‘এডব্লিউএল এগ্রি বিজনেস লিমিটেড’ (AWL Agri Business Ltd.) বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রথা এবং উৎসবের আমেজকে উদযাপনের লক্ষ্যে আবারও একটি সর্বাঙ্গীণ ‘৩৬০-ডিগ্রি’ দুর্গাপূজা প্রচার অভিযান নিয়ে এসেছে।

প্রতি বছরই ‘ফরচুন’ বিভিন্ন অর্থবহ উৎসবকেন্দ্রিক উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রেতাদের সাথে যুক্ত হয়। এ বছর তারা কলকাতা ও সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নানা ধরনের আকর্ষণীয় সরাসরি অভিজ্ঞতা (on-ground experiences), ক্রেতাদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কার্যক্রম এবং সমাজভিত্তিক কর্মসূচির আয়োজন করেছে। *এবারের উদযাপনের প্রধান আকর্ষণ হলো কলকাতার বিখ্যাত দেশপ্রিয় পার্কে ‘রাজবাড়ি’র আদলে তৈরি একটি চমৎকার শিল্পকর্ম। বাংলার ঐতিহাসিক ‘বনেদি বাড়ি’গুলোর জাঁকজমক ফুটিয়ে তোলা এই স্থাপত্যকর্মটি তৈরি হয়েছে ৩,০০০-এরও বেশি ‘ফরচুন’ জার ও পণ্যের প্যাকেট ব্যবহার করে। ঐতিহ্যের এই উদযাপনের পাশাপাশি, ‘ফরচুন’ তুলে ধরছে অনন্য ‘ফুড আর্ট’ বা খাদ্য-শিল্প।* এছাড়া, #PujoTeAmiEtaKori হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে তারা মানুষের ব্যক্তিগত পূজার আচার-অনুষ্ঠানগুলোকে উদযাপন করছে এবং তাদের প্রধান উদ্যোগ #FortuneSobarPujo -এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ছড়িয়ে দিচ্ছে উৎসবের আনন্দ।এই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে, ‘ফরচুন’ (Fortune) একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিল্পী এবং দক্ষ কারিগরদের একটি দলের সাথে যৌথভাবে কাজ করেছে। তারা ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ির সূক্ষ্ম স্থাপত্যশৈলীকে পুনরায় ফুটিয়ে তুলেছে। এই শিল্পকর্মটি দর্শকদের বাংলার ঐতিহাসিক বাড়িগুলোর সাথে জড়িয়ে থাকা নস্টালজিয়া বা স্মৃতিমেদুরতা ও আভিজাত্য অনুভব করার সুযোগ করে দেয়; পাশাপাশি এটি দেখায় যে, দৈনন্দিন ব্যবহারের পরিচিত গৃহস্থালি পণ্যগুলো কীভাবে শৈল্পিক গল্প বলার মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।শিল্প ও ঐতিহ্যের উদযাপনকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে, ‘ফরচুন’ (Fortune) বাদামতলা আষাড় সংঘে তৈরি করেছে এক অনন্য ম্যুরাল টানেল। এখানে শিল্পীরা চাল, ডাল, চিঁড়ে এবং সয়া নাগেটস-এর মতো নিত্যদিনের খাদ্যোপকরণ ব্যবহার করে দুর্গাপূজার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত প্রিয় কিছু আচার-অনুষ্ঠানকে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই ম্যুরালগুলোতে বাঙালি পরিবারের পরিচিত মুহূর্তগুলো—যেমন ভোরে মহালয়া শোনা, কলাবউ স্নান, অষ্টমীর অঞ্জলি, ভোগ নিবেদন এবং সিঁদুর খেলা—খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। এই নিপুণ শিল্পকর্মের মাধ্যমে ‘ফরচুন’ খাদ্য, পরিবার ও উৎসবের মধ্যকার গভীর সম্পর্ককে উদযাপন করেছে; রান্নাঘরের অতি পরিচিত উপকরণগুলোকে তারা বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক শক্তিশালী অভিব্যক্তিতে রূপান্তর করেছে।এই উদ্যোগ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে, এডব্লিউএল এগ্রি বিজনেস লিমিটেড (AWL Agri Business Ltd.)-এর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট, শ্রী মুকেশ মিশ্র বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ‘ফরচুন’ (Fortune)-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার। আমরা সবসময়ই রাজ্যের গ্রাহকদের সাথে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হওয়ার অর্থবহ উপায় খুঁজে থাকি। দুর্গাপূজার মতো ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলো আমাদের গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার এক অনন্য সুযোগ করে দেয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে, উৎসবের আচার-অনুষ্ঠান ও যৌথ অভিজ্ঞতায় খাবার এক অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশপ্রিয় পার্ক এবং বাদামতলা আষাড় সংঘে আমাদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে, আমরা বাংলার সমৃদ্ধ স্থাপত্য ঐতিহ্য ও উৎসবের রীতিগুলোকে শিল্পের আদলে জীবন্ত করে তুলে এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধনকেই সম্মান জানাতে চেয়েছি। একই সাথে, আমাদের ‘#FortuneSobarPujo’ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করছি যেন উৎসবের আনন্দ সেইসব মানুষের কাছেও পৌঁছে যায়, যারা হয়তো অন্যথায় এই উদযাপনে পুরোপুরি শামিল হতে পারতেন না। ‘ফরচুন’-এ আমাদের লক্ষ্য হলো—শুধুমাত্র দৈনন্দিন রান্নার অংশ হয়ে থাকাই নয়, বরং বিভিন্ন ঐতিহ্য, অভিজ্ঞতা ও মুহূর্তের মধ্য দিয়ে গ্রাহকদের সাথে এমন এক অর্থবহ সম্পর্ক গড়ে তোলা, যা মানুষকে একে অপরের কাছাকাছি নিয়ে আসে।”ঐতিহ্যের এই উদযাপনের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে, ‘ফরচুন’ (Fortune) তাদের উৎসবকালীন প্রচারমূলক ক্যাম্পেন #PujoTeAmiEtaKori-এর মাধ্যমে ‘প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠান পুজোর আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে’—এই ভাবনাটিকে জীবন্ত করে তুলেছে। দুর্গাপূজা সবার উৎসব হলেও, একেকজনের কাছে এর অভিজ্ঞতা একেক রকম—এই উপলব্ধির ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে এই ক্যাম্পেন। মহালয়ার ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, নতুন পোশাক পরা, প্রিয় মণ্ডপগুলোতে ঘুরে বেড়ানো কিংবা উৎসবের নানা সুস্বাদু খাবার উপভোগ করা—এমন ছোট ছোট ব্যক্তিগত আচারগুলোই তো পুজোর দিনগুলোকে বিশেষ করে তোলে। ‘#PujoTeAmiEtaKori প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ‘ফরচুন’ গ্রাহকদের উৎসাহিত করছে তাদের প্রিয় পুজোর রীতিগুলো সবার সাথে ভাগ করে নিতে। এর মধ্য দিয়ে উঠে আসছে এমন সব অনন্য অভ্যাস, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা, যা বিভিন্ন প্রজন্মকে একে অপরের সাথে জুড়ে দেয় এবং প্রতিটি পুজোর দিনকে করে তোলে আরও বিশেষ।সমাজের সাথে সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে, ‘ফরচুন’ (Fortune) তাদের #FortuneSobarPujo উদ্যোগটিকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই উদ্যোগটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে যে, দুর্গাপূজার আনন্দ সবারই উপভোগ করা উচিত। যারা বয়স, আর্থিক সীমাবদ্ধতা, শারীরিক অক্ষমতা বা সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কারণে দুর্গাপূজার উৎসবে পুরোপুরি অংশ নিতে পারেন না, তাদের কাছে উৎসবের আনন্দ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ বছর ‘ফরচুন’ তাদের এই কার্যক্রমকে কলকাতার বাইরে আসানসোল ও দুর্গাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিভিন্ন অনাথ আশ্রমের ৩,০০০-এরও বেশি শিশু এবং বৃদ্ধাশ্রমের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সরাসরি এই উৎসবের সাথে যুক্ত করার এবং তাদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার লক্ষ্য রয়েছে।এই উদ্যোগগুলোর পাশাপাশি, ফরচুন (Fortune) কলকাতার দুটি অত্যন্ত ব্যস্ত সংযোগস্থল—উল্টাডাঙা এবং রুবি—তে বড় আকারের আউটডোর ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে উৎসবের মৌসুমে নিজেদের উপস্থিতি জোরালো করে তুলেছে। ৪৭,০০০ বর্গফুটেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই ব্র্যান্ডিংয়ে ফরচুনের বিভিন্ন পণ্যের সমাহার তুলে ধরা হয়েছে, যা উৎসবের দিনগুলোতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াত পথগুলোতে ব্র্যান্ডটির দৃশ্যমানতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।বাংলার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, শৈল্পিক পরম্পরা এবং সর্বজনীনতার চেতনাকে একত্রিত করে আয়োজিত এক উদযাপনের মাধ্যমে, ‘ফরচুন’ (Fortune) পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর কাছে দুর্গাপূজাকে আরও অর্থবহ করে তুলতে চায়। এর মধ্য দিয়ে তারা ভোক্তাদের সাথে নিজেদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি, মানুষের অত্যন্ত প্রিয় উৎসবের মুহূর্তগুলোর অংশ হয়ে ওঠার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে।