Kolkata, 04th November 2026: সোনি আট-এর ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’-র রান্নাঘরে এখন শুধু রান্নার লড়াই নয়, বরং প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে নানা ঘটনা। কখনও তর্ক-বিতর্ক, কখনও আবেগের বিস্ফোরণ, আবার কখনও মজার ছলে দুষ্টুমি কিংবা মাঝপথে কাজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া – প্রতিযোগিতা যত জমে উঠছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তারকা প্রতিযোগীদের মধ্যে উত্তেজনাও।

সৌমিত্রিষার আচরণকে কেন্দ্র করে ঊষসী ও সুশ্মিতের মধ্যে মনোমালিনতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, ঊষসী রাগ করে রান্নাঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান। অন্যদিকে, মিস্ট্রি ব্যাগ থেকে তৈরি পদটি আশানুরূপ না হওয়ায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রূপাঞ্জনা। মাছ কাটার ও প্রস্তুতির কাজে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় শ্যামৌপ্তিকেও। এমন কঠিন মুহূর্তে প্রিয়ম, ইমন ও অঙ্কুশ তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে সাহস জোগান।রান্নাঘরের মজার পরিবেশেও অবশ্য খুব বেশিক্ষণ বজায় থাকছে না শান্তি। প্রেরণার মজার ছলে অন্যদের নকল করার মুহূর্তগুলো ক্রমশই বদলে যাচ্ছে নতুন নতুন ঘটনায়। সহ-প্রতিযোগীদের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়ে উপকরণ চুরি করার জন্য সৌরভের সঙ্গে তাঁর দুষ্টুমির ফলস্বরূপ দু’জনকেই শেষমেশ অঙ্কুশের তৈরি অস্থায়ী ‘জেলে’ বন্দি হতে হয়। অন্যদিকে, প্রেরণাকে ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলে উল্লেখ করায় সৌমিত্রিষা ও প্রেরণার মধ্যে শুরু হয় তুমুল বাগ্বিতণ্ডা। তার সঙ্গে যোগ হয় উপকরণ চুরির অভিযোগ এবং ফোন দেখে রেসিপি অনুসরণ করা নিয়ে মতবিরোধ। সব মিলিয়ে রান্নাঘরের পরিস্থিতি হয়ে ওঠে আরও উত্তপ্ত।নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ঊষসী বলেন, “এই অভিজ্ঞতা আবেগের দিক থেকে সত্যিই নানা রঙে ভরা। একদিকে যেমন আমরা একসঙ্গে অনেক মজার মুহূর্ত কাটাই, অন্যদিকে প্রতিযোগিতার উত্তেজনাও কখনও কখনও বেশ তীব্র হয়ে ওঠে। মাঝেমধ্যে ভুল বোঝাবুঝিও তৈরি হয়। সব মিলিয়ে এই যাত্রাপথ একেবারেই অনিশ্চিত, যেখানে নানা ঘটনা, হাসি আর শেখার অভিজ্ঞতা – সবই রয়েছে।”প্রেরণা বলেন, “রান্নাঘরে সবসময় একটু মজা আর প্রাণচাঞ্চল্য নিয়ে আসতে আমার বেশ ভালো লাগে। কখনও সহ-প্রতিযোগীদের সঙ্গে খুনসুটি করে, আবার কখনও সরাসরি নানা কাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এই শো-এর সবচেয়ে মজার বিষয় হল, প্রতিটি পর্বেই নতুন কোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। পরের মুহূর্তে কী ঘটতে চলেছে, তা আগে থেকে আন্দাজ করাই মুশকিল!”সৌমিত্রিষার কথায়, “রান্নার ব্যাপারে আমি একেবারেই শূন্য! তবে ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’-র দৌলতে অন্তত গ্যাস জ্বালাতে শিখেছি! এই শো-তে আমি সবকিছুই করছি – নাচ, অভিনয়, ঝগড়া আর যাবতীয় নাটক উপভোগ করা! সত্যি বলতে, এটাকে আর প্রতিযোগিতা বলেই মনে হয় না। বরং মনে হয় যেন আমরা সবাই মিলে একটা বড় যৌথ পরিবারে রয়েছি। আর এই পরিবারের ‘সবার ঘরের সতীন’ হয়ে উঠতে পেরেছি বলে আমি বেশ গর্বিত!”ঝগড়া-বিবাদের পাশাপাশি গান, নাচ আর একে অপরের সঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলেছে এই প্রতিযোগিতা। তবে প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায় যত এগিয়ে আসছে, স্কোরের গুরুত্বও তত বাড়ছে। আর তার সঙ্গে ক্রমশ ঘনিয়ে আসছে এলিমিনেশনের সময়।দেখতে ভুলবেন না ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’, প্রতি সোমবার থেকে শুক্রবার, রাত ৮টায়, শুধুমাত্র সোনি আট এবং Sony LIV-এ।
