ফুটপাথ পত্রিকার আয়োজনে ‘সবার খবর পত্রিকার’ দূর্গাপুজো সংখ্যা প্রকাশ।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মৌলালী যুব কেন্দ্রের স্বামী বিবেকানন্দ অডিটোরিয়ামে ফুটপাথ পত্রিকার আয়োজনে ‘সবার খবর পত্রিকার’ ‘দূর্গাপুজো সংখ্যা’ প্রকাশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও সংগীত, নৃত্য, ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিষয়ে আলোচনা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ডঃ শঙ্কর প্রসাদ নস্কর, অভিজিৎ ব্যানার্জি ও সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায়। এই একই বিষয়ে গীতিআলেখ্য করেন ঈশিতা আর্টস এর কর্ণধার মিতা রায় ও তাঁর গোষ্ঠীর শিল্পীরা। মধ্যমগ্ৰামের কয়ার সংগীত গোষ্ঠীর কর্ণধার সুদীপ্ত চন্দ্র ও তাঁর শিল্পীদের নিয়ে সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন। একক সংগীত পরিবেশন করেন চৈতালি কুন্ডু।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের ডায়মন্ড হারবার শাখার সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী ত্যাগনন্দজী মহারাজ। তিনি ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিষয়ে আলোকপাত করেন। প্রতিবারের মতো এবারও বৃক্ষে জল ঢেলে উদ্বোধন করেন স্বামী ত্যাগনন্দজী মহারাজ, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপক রীতা মণ্ডল, সাহিত্যিকদের মধ্যে ছিলেন ঝুমা সরকার, জাহানারা বেগম, কান্দীবান্ধ পত্রিকার সম্পাদক নবকুমার মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। আগত অতিথিদের প্রদীপসহ বরণ করে চন্দনের তিলক পরিয়ে দেন লিপিকা পিঙ্কি দে। প্রভাতী দৈনিক ‘সবার খবর পত্রিকার’ ‘দূর্গাপুজো সংখ্যা’ প্রকাশ করেন আবু তাহের, সমীক সাধন ঘোষ, অসিত বরণ দাস, শাহাদাত হোসেন সেখ, প্রমুখ।রত্নগর্ভা মায়েদের স্মারক সন্মানে সন্মানিত করা হয়। ছিলেন স্বাগতা ব্যানার্জি, রীতা মণ্ডল, সবিতা বেগম, দেওলা সোরেন, লিপিকা সরকার, মল্লিকা গায়েন, বিপাশা মান্না, মুর্শিদা বেগম, বাসন্তি চক্রবর্তী, সুভাষিনী নায়েক, ঝুমা ঘোষ, লিলি কয়াল। দৈনিক সুখবর পত্রিকার সম্পাদক যিনি প্রতিদিন গড়ে ৮০০ শব্দের সম্পাদকীয় লেখেন, কর্মক্ষেত্র পত্রিকার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে চলেছেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী রাসবিহারী বসু নিয়ে গবেষণালব্ধ ইতিহাস রচনা করেছেন, সেই প্রবাদপ্রতিম শমীক সাধন ঘোষকে স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয়। সেই সঙ্গে সেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক আবু তাহের, একলব্য সংস্থার সম্পাদক সৌরিশ দে এবং ব্যাক্তিগত উদ্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জনসেবাকারী গুরমিত সিং কে স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয়। শিল্পোদ্যোগী দুই ব্যক্তি সঞ্জয় সেনগুপ্ত, বাসুদেব হালদার, ওম প্রকাশ সিং কে স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয়। উদ্যোগী ব্যাবসায়ী হিসেবে স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয় প্রণবেশ হালদারকে। সাংবাদিকদের মধ্যে স্মারক সন্মান লাভ করেন বণি সিংহ, দিলীপ ঘোষ, বাইজির মণ্ডল, পরিমল কর্মকার প্রমুখ। সাংবাদিক তথা ছড়াকার অমর নস্কর ও বাচিক শিল্পী মঞ্জুলিকা মুন্সিকেও স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয়। স্মারক সন্মানে সন্মানিত করা হয় মালা মুখোপাধ্যায়, জাহানারা রহমান, করবী দে, নন্দিনী চক্রবর্তী, সুতপা মুখোপাধ্যায়, প্রমুখ লেখিকাদের। চার পুরুষ আইনজীবী হিসেবে একই পেশায় যুক্ত শিবনাথ দাসগুপ্ত এবং মহকুমা আদালত থেকে শুরু করে হাইকোর্টে আইনজীবী পেশায় থাকার পাশাপাশি সমাজসেবায় ব্রতী নিবেদিতা মুখার্জিরাও স্মারক সন্মান লাভ করেন। তবলা বাদক বাপী হাজরাকেও স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয়। ইদানিং নাট্য গোষ্ঠীর প্রাণপুরুষ জয়ন্ত রসিক ও তাঁর গোষ্ঠীর শিল্পীদের স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয়। সংগীত গোষ্ঠী ইশিতা আর্ট এর কর্ণধার মিতা রায় ও তাঁর গোষ্ঠীর শিল্পীদের, নৃত্য শিল্পী গোষ্ঠী ঘুঙরু, সমাগম গোষ্ঠীর পুরোধা ছবি পাল ও তাঁর গোষ্ঠীর শিল্পীদের, নিলিমা বেরা পরিচালিত সৃজনী ক্লাসিক্যাল গোষ্ঠীর শিল্পীদের এবং বেলঘরিয়া মৌসুমী গ্ৰহরাজ পরিচালিত সুর তরঙ্গ সংগীত গোষ্ঠীর শিল্পীদের স্মারক সন্মানে ভূষিত করা হয়। সবশেষে পরিবেশিত হয় ইদানিং নাট্য গোষ্ঠীর পরিচালনায়, প্রাণপুরুষ জয়ন্ত রসিকের রচনা ও নির্দেশনায় নাটক ‘অন্য কুরুক্ষেত্র’। সারাদিনের রকমারি অনুষ্ঠান কয়েকশ সাহিত্য সংস্কৃতি জগতের মানুষ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুনিপুনভাবে সঞ্চালনা করেন সাহিত্যিক ঝুমা সরকার।