গত ২১.৬.২০২৬ শুধুমাত্র একটি সংগঠনের উদ্বোধন হয়নি, জন্ম নিয়েছে এক নতুন স্বপ্নের, এক নতুন সামাজিক আন্দোলনের।
অগণিত মানুষের আশীর্বাদ, ভালোবাসা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সঙ্গী করে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করল সুর্যবীর জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুর বিধানসভার বিধায়িকা শ্রীমতি শরর্বরী মুখার্জী। তিনি শুধুমাত্র আমাদের শুভেচ্ছা জানাননি, তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন— মানুষের জন্য আমাদের প্রতিটি লড়াইয়ে, প্রতিটি সংগ্রামে, প্রতিটি মানবিক উদ্যোগে তিনি আমাদের পাশে থাকবেন, আমাদের শক্তি হয়ে থাকবেন।তিনি আমাদের বিশ্বাস করিয়েছেন যে, অদম্য সাহস, মানবিকতা এবং সাংস্কৃতিক চেতনাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একসঙ্গে যাদবপুরকে আবারও বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাংস্কৃতিক পীঠস্থান হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।তিনি আমাদের কাঁধে এক গুরুদায়িত্ব তুলে দিয়েছেন— শুধু সমাজসেবা নয়, একটি মানবিক, সাংস্কৃতিক এবং সচেতন সমাজ নির্মাণের দায়িত্ব।আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট—1) মানুষের বিপদে-আপদে সবার আগে ছুটে যাওয়া।2) জনকল্যাণমূলক কাজকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।3) সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প ও নীতিকে সাধারণ মানুষের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া।4) যাদবপুরকে আবারও সমগ্র বাংলার মধ্যে এক উজ্জ্বল সাংস্কৃতিক ও কালচারাল পীঠস্থান হিসেবে গড়ে তোলা।5) মানবিক মূল্যবোধ, সাহস এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক নতুন প্রজন্ম তৈরি করা।

আজকের যুবসমাজের কাছে আমাদের একটাই আহ্বান—শুধু পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখলেই হবে না, পরিবর্তনের সৈনিক হতে হবে।যদি আপনার হৃদয় মানুষের কষ্টে ব্যথিত হয়, যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে সমাজকে বদলানোর শক্তি যুবসমাজের হাতেই রয়েছে, যদি আপনি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান— তাহলে আপনাকেও স্বাগত সুর্যবীর পরিবারে।এসো, আমরা একসঙ্গে মানুষের মুখে হাসি ফোটাই।এসো, আমরা একসঙ্গে গড়ে তুলি মানবিক, সাংস্কৃতিক ও শক্তিশালী যাদবপুর।এসো, আমরা শুধু দর্শক নয়, পরিবর্তনের কারিগর হই।এসো, একজন সুর্যবীর হই।