ওয়াজিরএক্স প্রকাশ করল ‘ইন্ডিয়া ক্রিপ্টো ট্রেন্ডস রিপোর্ট: ২০২৬ সালের প্রথমার্ধ’*
*কলকাতা: ভারতের অন্যতম শীর্ষ ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ ওয়াজিরএক্স প্রকাশ করেছে ‘ইন্ডিয়া ক্রিপ্টো ট্রেন্ডস রিপোর্ট: ২০২৬ সালের প্রথমার্ধ’, যেখানে দেশের ক্রিপ্টো বিনিয়োগকারীদের আচরণ, বাজারের প্রবণতা এবং প্ল্যাটফর্মের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।রিপোর্ট অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্ম পুনরায় চালুর পর সক্রিয় হওয়া ট্রেডারদের ৯৫% ছিলেন পুরোনো ব্যবহারকারী, আর ৫% ছিলেন নতুন ট্রেডার। ফিরে আসা প্রতি সাতজন ট্রেডারের মধ্যে একজন নতুন মূলধন বিনিয়োগ করেছেন, যা ব্যবহারকারীদের আস্থা ফিরে আসার ইঙ্গিত দেয়।রিপোর্টে আরও দেখা গেছে, ৫০.৮% ব্যবহারকারীর বয়স ২৫ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে, এবং প্রায় ৮০% ব্যবহারকারীর বয়স ২৫ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। এছাড়া, ৮২%-এর বেশি ব্যবহারকারী নন-মেট্রো শহর থেকে, যা ভারতের ছোট শহর ও শহরতলিতে ক্রিপ্টোর দ্রুত প্রসারের ইঙ্গিত বহন করে।২০২৬ সালের প্রথমার্ধে অর্থ উত্তোলনের হার প্রায় ৫৫% কমেছে, অন্যদিকে জমার পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে উত্তোলনের তুলনায় ২ থেকে ৬ গুণ বেশি ছিল। ট্রেডিং ভলিউমের দিক থেকে স্টেবলকয়েন ছিল শীর্ষে (৩৮.৫%), আর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ইউনিক ট্রেডারকে আকৃষ্ট করেছে মিম কয়েন। একই সময়ে বিটকয়েন, ইথেরিয়াম ও লেয়ার-১ টোকেন মিলিয়ে মোট ট্রেডিং ভলিউমের ২৮.৪% জুড়ে ছিল।ওয়াজিরএক্স Zero-এর ব্যবহারকারীরা পে-পার-ট্রেড ব্যবহারকারীদের তুলনায় প্রায় দুই গুণ বেশি ট্রেডিং ভলিউম তৈরি করেছেন এবং পাঁচ গুণ বেশি পুনরায় ট্রেডিংয়ে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্চ থেকে জুনের মধ্যে ফিউচার্স ট্রেডিংয়ের আর্থিক পরিমাণ ৩০০% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং ৯৩%-এর বেশি ফিউচার্স ব্যবহারকারী একই সঙ্গে সক্রিয় স্পট ট্রেডার হিসেবেও লেনদেন করেছেন।নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে ওয়াজিরএক্স চালু করেছে ‘গার্ডিয়ান্স অফ ট্রাস্ট’ উদ্যোগ এবং প্ল্যাটফর্মে ফায়ারব্লকস প্রযুক্তি সংযুক্ত করেছে। পাশাপাশি, আদালত-নির্ধারিত ৬০ কার্যদিবসের সময়সীমার মধ্যেই সমস্ত যোগ্য ব্যবহারকারীর কাছে রিকভারি টোকেন বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।সম্প্রতি ওয়াজিরএক্স চালু করেছে Taxlyst, একটি বিনামূল্যের ক্রিপ্টো ট্যাক্স রিপোর্টিং প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন এক্সচেঞ্জের লেনদেনের তথ্য একত্রিত করে সহজেই ট্যাক্স-প্রস্তুত রিপোর্ট তৈরি করতে সহায়তা করবে।ওয়াজিরএক্স জানিয়েছে, আগামী দিনে নতুন প্রোডাক্ট, উন্নত ট্রেডিং ফিচার, আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ভারতের ক্রিপ্টো ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী ও সহজলভ্য করে তোলাই তাদের লক্ষ্য।